মামলার বাদী মেজর সিনহার বোনের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে বিচার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানায় পাবলিক প্রসিকিউটর ফরিদুল আলম।এছাড়া মামলার ১৫ জন আসামিকে সকালে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।
পিপি ফরিদুল আলম বলেন, এর আগে মামলার ১৫ সাক্ষীকে নোটিশ দেওয়া হয়। ৮৩ সাক্ষীর মধ্যে প্রথম দফায় ১৫ জনকে উপস্থিত থাকতে ইতিমধ্যে সমন জারি করা হয়।
গত ২৬, ২৭ ও ২৮ জুলাই সাক্ষ্য নেওয়ার দিন থাকলেও করোনাভাইরাস মহামারী পরিস্থিতির কারণে পিছিয়ে যায়। পরে গত ১৬ অগাস্ট আদালত ২৩, ২৪ ও ২৫ অগাস্ট দিন ঠিক করে।গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজারের টেকনাফের শামলাপুর পুলিশ চেকপোস্টে পু লিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা।
এ ঘটনায় সে সময় সিনহার বোন বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় লিয়াকত আলীকে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে র্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়।এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় একটি এবং রামু থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করে।
সিনহা নিহতের ছয় দিন পর লিয়াকত আলী ও প্রদীপসহ সাত পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার অভিযোগে টেকনাফ থানায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষী এবং শামলাপুর চেকপোস্টে ঘটনার সময় দায়িত্ব পালনকারী আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। টেকনাফ থানার সাবেক কনস্টেবল রুবেল শর্মাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। গত ২৪ জুন মামলার অন্য পলাতক আসামি টেকনাফ থানার সাবেক এএসআই সাগর দেব আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।
আসামিদের মধ্যে ওসি প্রদীপ কুমার দাস ও কনস্টেবল রুবেল ছাড়া আর ও ১২ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।তদন্ত শেষে গত বছর ১৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. খাইরুল ইসলাম ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

0 মন্তব্যসমূহ